Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

The Alliance for Bangladesh Worker Safety has ceased operations effective December 31, 2018. All email directed to the Alliance will not be received.

Thank you for your support of the Alliance and its mission over the past five years. We have made quite a difference for thousands of workers in the RMG sector and have hopefully instilled a lasting sense of safety for all of the factories, staff and management involved in the program.

 

অ্যালায়েন্স প্রকাশনা

অ্যালায়েন্স তার উদ্যোগের অগ্রগতি এবং কর্মকান্ড সম্পর্কে নিয়মিত হালনাগাদ প্রদানে প্রতিশ্রুতবদ্ধ, এবং তার মূল কার্যক্রমের কার্যকরিতা বিষয়ক এবং ভবিষ্যতে কোন কোন ক্ষেত্রে কাজ করতে হবে সে বিষয়ক বাহ্যিক মূল্যায়নের ব্যাপারে সচেষ্ট রয়েছে ।

অ্যালায়েন্সের সমস্ত প্রকাশনা দেখুন এখানে

অংশীদারিত্ব

অ্যালায়েন্স শ্রমিক সংগঠন, কারখানার মালিক, এনজিও, সুশিল সমাজ, কারিগরি ও প্রকৌশল পরামর্শদাতা, শিল্প সংস্থ্যা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কারিগরি মানসম্পন্ন, প্রভাবী এবং টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কাজ করে যাচ্ছে । সুনির্দিষ্ট অংশিদারদের মধ্যে রয়েছে:

  • ন্যাশনাল ফায়ার প্রটেকশন অ্যাসোসিয়েশন
  • আন্তর্জাতিক ফাইনান্স কর্পোরেশন

পঞ্চম এবং চুড়ান্ত বর্ষে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটির নিরাপত্তা ফলাফল বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশ

.

পঞ্চম এবং চুড়ান্ত বর্ষে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটির নিরাপত্তা ফলাফল বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশ

ঢাকা, বাংলাদেশ – অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি (“অ্যালায়েন্স”) প্রায় সমাপ্তকৃত কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়নের কাজের পাশাপাশি তার সুপরিচিত অগ্নি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ পরিপূর্ণভাবে নিষ্পাদন এবং অ্যালায়েন্স -অধিভুক্ত কারখানার ১৫ লক্ষেরও বেশি শ্রমিকদের নিকট ২৪ ঘন্টা শ্রমিক হেল্পলাইনের সুবিধা প্রদান বিষয়ক আজ তার পঞ্চম এবং চূড়ান্ত বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ।

নিরাপত্তার একটি ইকোসিস্টেমে বর্তমানে যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত, অ্যালায়েন্স তার ব্যাপক সুপরিচিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং হেল্পলাইন স্থানীয় অংশিদারদের নিকট হস্তান্তর করতে যাচ্ছে, যারা এই উভয় কর্মসূচির কর্মকান্ড অব্যাহত রাখবে এবং একই সাথে সারা বাংলাদেশ জুড়ে অন্যান্য কারখানাগুলোতে এর বিস্তার ঘটাবে । অ্যালায়েন্সের অধিকাংশ ব্র্যান্ডগুলোই অ্যালায়েন্স সদস্যদের জন্য পণ্য উৎপাদন করে থাকে এমন কারখানাগুলোতে স্থানীয় সংস্থ্যার মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে নিরাপত্তা মানদন্ড পর্যবেক্ষণ, প্রশিক্ষণ নির্বাহ এবং হেল্পলাইন উন্নয়নের কাজের পরিকল্পনা গ্রহন করেছে, এই সমস্ত ব্র্যান্ডগুলোর শর্ত থাকবে এই যে অ্যালায়েন্সের অধীনে যে পর্যায়ের নিরাপত্তা মান অর্জিত হয়েছিলো তার ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে ।

কারখানা নিরাপত্তায় মাইলফলক অর্জন করেছে অ্যালায়েন্স: ৪০০টি কারখানা সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে

.

সংস্কার কাজের অগ্রগতি ৯১%; সংস্কার কাজে অগ্রগতি প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় ৫টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক চ্ছিন্ন করেছে অ্যালায়েন্স

ঢাকা, বাংলাদেশ – অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি (“অ্যালায়েন্স”) আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে জুলাই মাস থেকে এ পর্যন্ত আরও ৩৬টি অ্যালায়েন্স -অধিভুক্ত কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে সংস্কার কাজ সম্পন্নকারী কারখানার মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ৪০০টি । এযাবত পর্যন্ত অ্যালায়েন্স -অধিভুক্ত সবগুলো কারখানায় ৯১% সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে ।

আমাদের কথা শ্রমিক হেল্পলাইনের স্বতন্ত্র সংস্থ্যায় রূপান্তর আরও লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের হেল্পলাইন ব্যবহারের সুবিধা লাভ

.

ঢাকা, বাংলাদেশ – অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি ( অ্যালায়েন্স ) আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে, অ্যালায়েন্সের ২৪ ঘন্টা সপ্তাহে ৭ দিন চালু গোপনীয় হেল্পলাইন – আমাদের কথা ( “আওয়ার ভয়েস”)- এই মাসেই একটি স্বতন্ত্র সংস্থ্যায় রূপান্তরিত হবে যা বর্তমানে অ্যালায়েন্স কারখানাগুলোর গন্ডি ছাড়িয়ে অন্যান্য কারখানাতেও তার সেবা সম্প্রসারণের সক্ষমতা অর্জন করবে । অ্যালায়েন্স এই ঘোষণা প্রদান করছে কেননা অ্যালায়েন্স কারখানার নিরাপত্তা এবং শ্রমিক ক্ষমতায়নের উদ্যোগগুলোকে একটি স্বতন্ত্র, বিশ্বাসযোগ্য এবং স্থানীয় -নেতৃত্বে পরিচালিত সেইফটি মনিটরিং অর্গানাইজেশন ( এসএমও)-এর নিকট হস্তান্তর করতে যাচ্ছে ।

“আমাদের কথা লক্ষ লক্ষ পোশাক শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন করেছে যেন তারা নাম পরিচয় গোপন রেখে এবং শাস্তি পাওয়ার ভয় ভীতি ছাড়াই তাদের উদ্বেগের কথা রিপোর্ট করতে পারে, “বলেছেন সাবেক রাষ্ট্রদূত জিম মরিয়ার্টি, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অব অ্যালায়েন্স । “হেল্পলাইনকে উত্তরসূরি হিসেবে রাখতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত, এবং এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদটি, হেল্পলাইন প্রজেক্ট পার্টনার-এর নেতৃত্বে ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে এবং সমৃদ্ধি লাভ করবে”।

অ্যালায়েন্স প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর উপলক্ষে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

ঢাকা, বাংলাদেশ – পাঁচ বছর আগের আজকের এই দিনে, দুই ডজনেরও বেশি নেতৃত্বস্থানীয় উত্তর আমেরিকান পোশাক কোম্পানি, খুচরা বিক্রেতা এবং ব্র্যান্ড বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প খাতের শ্রমিকদের নিরাপত্তার ব্যপক উন্নয়নের লক্ষ্যে আইনগতভাবে বাধ্য পাঁচ বছরের একটি উদ্যোগ গ্রহনের জন্য অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি গঠনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছিলো ।

আজকে, অ্যালায়েন্স কারখানাগুলোতে ৯০ শতাংশ সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, ১.৫ মিলিয়নেরও বেশি শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে যেন তারা অগ্নিকান্ডের জরুরি মুহুর্তে নিজেদের রক্ষা করতে পারে, এবং ১.৫ মিলিয়ন শ্রমিক নাম পরিচয় গোপন রেখে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘন্টা হেল্পলাইনে তাদের উদ্বেগের কথা জানাতে পারে । সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, অ্যালায়েন্সের নেতৃত্বে যে সমস্ত কারখানায় সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে সে সমস্ত কারখানাগুলোতে ভবন, বৈদ্যূতিক এবং অগ্নিকান্ড দুর্ঘটনাজনিত কারনে কোনো জীবনহানির ঘটনা ঘটেনি ।

৩৬৪ টি অ্যালায়েন্স কারখানা ক্যাপ সম্পন্ন করেছে

.

বর্তমানে অ্যালায়েন্স কারখানাগুলোতে ৯০% সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে

ঢাকা, বাংলাদেশ – অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে জুন মাসে, আরও ১৮টি অ্যালায়েন্স -অধিভুক্ত কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে সংস্কার কাজ সম্পন্নকারী কারখানার মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৬৪ ।

"শ্রমিকদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুরনের জন্য এই প্রত্যেকটি কারখানাই প্রশংসার দাবিদার, এবং তারা অন্যদের অনুসরণযোগ্য যে মানদন্ড তারা স্থাপন করেছে তার জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি,” বলেছেন অ্যালায়েন্স এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রাষ্ট্রদূত জিম মরিয়ার্টি ।"

রানা প্লাজা ধসের পঞ্চম বার্ষিকীতে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

ঢাকা, বাংলাদেশ – পাঁচ বছর আগে এইদিনে, রানা প্লাজা ধসের ঘটনা প্রাণ নিয়ে যায় ১,১৩৪ জন পুরুষ এবং নারীর, রেখে যায় হাজারও আহত মানুষ এবং চিরতরে বদলে দিয়ে যায় বাংলাদেশের গারমেন্ট শিল্পকে। এইদিনে আমরা ক্ষতিগ্রস্থদের অবর্ণনীয় কষ্টের কথা স্মরণ করতে গিয়ে থমকে যাই এবং নীরবে তাদেরকে সম্মান জানাই।

এই দুর্ঘটনার পরবর্তীকালে, বাংলাদেশের কারখানা নিরাপত্তার ব্যাপারে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে এই শিল্পের মালিকেরা একত্রে সংকল্পবদ্ধ হয়। আজকে, বাংলাদেশের গারমেণ্ট শিল্পের উপর নির্ভরশীল লাখো নারী পুরুষ নিরাপত্তার দিক থেকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কারখানায় কাজ করছে। যে কোন ধরণের জরুরী অবস্থায় তারা যেন নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারে সেই লক্ষ্যে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। যে কোন ধরণের নিরাপত্তা জনিত সমস্যা জরুরী ভিত্তিতে সমাধান করার জন্য একটি ২৪ ঘণ্টা খোলা হেল্পলাইন সহ তাদের কাছে বিভিন্ন ধরণের সরঞ্জামাদি রয়েছে। এই অর্জনের পেছনে কাজ করতে পেরে অ্যালায়েন্স গর্বিত।

শ্রমিকদের নিরাপত্তায় সম্মিলিত ঐক্যমতে পৌঁছতে অ্যালায়েন্সের আহবান

.

ঢাকা, বাংলাদেশ – অ্যালায়েন্সের উত্তরাধিকারী সেইফটি মনিটরিং অর্গানাইজেশন (এসএমও) গঠনের পরিকল্পনা বিষয়ে আলোচনার লক্ষ্যে এই সপ্তাহে ঢাকায় এসেছেন অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি ( অ্যালায়েন্স )-এর ২৯টি ব্র্যান্ডের বোর্ড অব ডিরেক্টরগণ, এই সংস্থ্যাটি ২০১৮ সালের পর অ্যালায়েন্সের ৫ বছর মেয়াদ শেষে অ্যালায়েন্সের পরিদর্শন, নিরাপত্তা মনিটরিং, প্রশিক্ষণ এবং হেল্পলাইন সার্ভিস এর কাজগুলো অব্যাহত রাখবে ।

“অ্যালায়েন্স সদস্য কোম্পানিগুলো আমাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজ অব্যাহত রাখতে একটি স্বাধীন, বিশ্বাসযোগ্য এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত একটি সংস্থ্যা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সরকার এবং বিজিএমইএ-এর অংশীদার হতে প্রস্তুত”, বলেছেন অ্যালায়েন্স এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, রাষ্ট্রদূত জেমস মরিয়ার্টি । “আজ পর্যন্ত যে সমস্ত আলোচনা হয়েছে তাতে আমরা অগ্রগতি লক্ষ্য করেছি, এবং টেকসই নিরাপত্তা প্রচেষ্টার ব্যাপারে সম্মিলিত ঐক্যমত যে গতিলাভ করেছে তাতে আমরা উৎসাহিত” ।

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি কারখানা নিরাপত্তা, শ্রমিক ক্ষমতায়নে অভাবিত অগ্রগতি অর্জনের ঘোষণা প্রদান করছে

.

প্রথম ত্রৈমাসিক প্রেস কনফারেন্সে, অ্যালায়েন্স এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রাষ্ট্রদূত জিম মরিয়ার্টির মন্তব্য

ঢাকা, বাংলাদেশ – আজকে, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি (অ্যালায়েন্স ) বাংলাদেশের শত শত তৈরি পোশাক কারখানার সংস্কার এবং নিরাপত্তা প্রশিক্ষণের অগ্রগতি বিষয়ক হালনাগাদ ঘোষণা করার লক্ষ্যে প্রথম ত্রৈমাসিক প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করছে । নিম্নে উল্লিখিত উদ্ধৃতাংশগুলো নেয়া হয়েছে অ্যালায়েন্স এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রাষ্ট্রদূত জিম মরিয়ার্টির মন্তব্য থেকে ।

“আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমরা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা উন্নয়নে অভাবিত অগ্রগতি লাভ করেছি । আমাদের কারখানা সংস্কার কাজ খুব দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, এবং বছর শেষে আমাদের যে প্রতিশ্রুতি ছিলো সে অনুসারে আমরা সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছি ।

আরো নিবন্ধ...

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর